সারাদেশ

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় আসছে শেখ সুমাইয়া সুলতানা’র বাণী গ্রন্থ “কিছু বলতে চাই”

কবি পরিচিতিঃ
কবি শেখ সুমাইয়া সুলতানা ১৯৯৬ সালের ১২ই ডিসেম্বর কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার হাজীপাড়া গ্রামে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
পিতা শেখ আব্দুল হামিদ
মাতা শেখ উম্মে হাবিবা।
যদিও তিনি কিশোরগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন কিন্তু তার শৈশব-কৈশোর-যৌবন অবধি তার সাহিত্য জীবন নারায়ণগঞ্জ শীতলক্ষ্যার তীরেই।
শীতলক্ষ্যার তীরে কবির সাহিত্যের হাতেখড়ি, সেই সুবাদে অনেকেই কবিকে শীতলক্ষ্যার কবি বলে আখ্যায়িত করেছেন।
কবি সুলতানা নারায়ণগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের বি.এ.অনার্স বাংলা বিভাগে অধ্যয়নরত।
সাহিত্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক জগতেও প্রতিভাবান।
২০০৪ সালে চিত্রাংকন, ২০০৮ সালে নাতে রাসূল, ২০১০ সালে বিতর্ক প্রতিযোগিতা এমনি করেই তিনি সার্বিকভাবে প্রতিভা ছড়িয়েছেন।

এদেশের কবি, সাংবাদিক, পুলিশ থেকে শুরু করে দেশের সর্বস্তরের মানুষ কবিকে অত্যন্ত স্নেহ করেন এবং ভালোবাসেন। সেই সাথে সাহিত্যে বিশেষ অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট আবৃত্তিশিল্পী জনাব বদরুল আহসান খান স্যারের অত্যন্ত স্নেহময়ী কবি সুলতানা।

সুলতানার সাক্ষাৎকারে জানা গেছে যে, তার সাহিত্য জীবনে তার পরিবারের অত্যন্ত ভালোবাসা আর অনুপ্রেরণা পেয়েছেন। তার পরিবারের পর বিশেষ অনুপ্রেরণা ছিলো বৃহত্তর ময়মনসিংহ ত্রিশালের সাংবাদিক এইচ,এম মোমিন তালুকদার। এভাবেই হাটি হাটি পা পা করে কবি কিছু সাংবাদিকদের মাধ্যমে পাঠকের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।
এই পর্যন্ত কবির কয়েকটি যৌথ কাব্যগ্রন্থ সহ একক কাব্যগ্রন্থ (শ্বাসরুদ্ধ কারাগার) প্রকাশিত হয়েছে।
তার শ্বাসরুদ্ধ কারাগার কাব্যগ্রন্থে আমরা দেখতে পেয়েছি যে তার অধিকাংশ কবিতায় এদেশের শ্রমজীবী মানুষের সুখ-দুখের কথা, স্বৈরাচার-জুলুম
তথা কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবিতার বিদ্রোহ ভাব ফুটে উঠেছে। আবার কখনো রূপসী বাংলার রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।
অতঃপর কবির সাহিত্য জীবনের আজ অবধি যা কিছু লিখেছেন তার সবটুকু এদেশের শ্রমজীবি ও অসহায় মানুষের তরে।
তার প্রতিটি লেখায় একটি বার্তা থাকে, যা বাংলার আনাচে-কানাচে পড়ে থাকা অসহায়, নির্যাতিতা আর মজলুমের কথা বলে।
কিন্তু ২০১৯ বইমেলায় পাঠকের উদ্দেশ্যে একটু অন্যরকম বই লিখেছেন। যদিও তার ইচ্ছা ছিলো না কিন্তু পাঠকের অনুপ্রেরণা আর অনুরোধ দুই মিলে কবি বইটি লিখতে বাধ্য হয়েছেন।
শত ব্যস্ততার ভিড়েও একটি চমকপ্রদ বই তিনি রচনা করার চেষ্টা করেছেন, যেটার নাম শুনলেই পাঠককে চুম্বকের ন্যায় আকর্ষণ করবে। আর সেই বইটি হচ্ছে একটি বাণীগ্রন্থ “কিছু বলতে চাই”। ” কিছু বলতে চাই বইটিতে ধর্মীয়, রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক বিষয়াবলী তুলে ধরেছেন তারমধ্যেও এদেশের সাধারণ মানুষের কথা বলা হয়েছে ছোট ছোট বাণী আকারে। আমি এই প্রতিভাবান কবি শেখ সুমাইয়া সুলতানার ” কিছু বলতে চাই” বইটির ব্যপক পাঠকপ্রিয়তা কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *