কবিতা

শরিফুল স্মরণ এর তিনটি কবিতা

 

দুটোই ভয়ঙ্কর
—————

ঝুম বৃষ্টি হলে মন কোমল হয়;
প্রকৃতির সাথে চিত্তের সম্পর্ক রয়েছে এটা বুঝার উত্তম সময়।

বিগড়ে যাওয়া মস্তিষ্কের বহিঃপ্রকাশ তপ্ত রোধে;
কালের সাথে কল্লোলের ফ্যাসাদ গাঢ় হইবার আতঙ্ক চুঙ্গে বসবাস।

দুটোই ভয়ঙ্কর;
মনযোগী হলে দুটোতেই জলের আশঙ্কা।

 

নয়া মহাজন
————-

হলদে দাঁত গুলোয় ক্যামিকেল ঘষে সবেমাত্র দাগ সারতে আরম্ভ।
এতেই চাঁদ হাতের মুঠোয়।

বোধটুকু নিরুপায়;
হাবভাব দেখলে নেশা ধরে।
ঘোরে হারায়।

কানের কাছে গালটা টেনে নিয়ে কশে একখানা চড় দিলে আরাম।

 

নিখুঁতের ক্ষত
————–

এড়িয়ে চলার অভ্যাসটা নিজে থেকে তৈরী হয় নি।
ওতে তোমাদের হাত পড়েছিল।
চোঁখ পড়েছিল।
ঠোঁটের কামড় পড়েছিল।

অহংকারের তাণ্ডবে দিশা হারিয়েছিল।

নিজেকে স্বস্তির নাগাল পাইয়ে দিতে এই পথ উত্তম ভেবেছিল।
অহিংস যোগ্য বলেই এই সিদ্ধান্ত সুস্বাদু হয়েছিল।

এখন অভিযোগ!
উন্মাদ তালিকাভুক্ত করণে হুমড়ি খেয়ে পড়ে অস্থির যাপন।

কোনটা করবে?
প্রত্যেকের মন যুগিয়ে চলতে হরেক গুণের দখল বগলবন্দী করবে?

ওতেও তোমাদের নাকের খিঁচুনিতে জিহ্বা কম্পন তুলবে;
গন্ধ;
দুর্গন্ধ।

নিখুঁতের ক্ষত।

নাতিশীতোষ্ণে হাতপাখা ঘুরিয়ে নিটোল হইবার দম ত্যাগে পরিণত।
এইবার দর্পণকে জিজ্ঞেস করো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *