কলাম

সেলিম নূর এর কলাম || লেখকের কলাম ও সাংবাদিকতা

কলাম

লেখকের কলাম ও সাংবাদিকের রিপোর্ট যদি একসাথে লিখে তাহলে রাষ্ট্র সমাজ আলোর মুখ দেখে।সাংবাদিকেরা নেতা নেত্রী আমলা সরকারী অফিস কর্মকতাকে তার লেখনির মাঝে অনেক বড় করতে পারে আবার একেবার নিচুতলা নিয়ে যেতে পারে।রিপোর্ট করতে ভালোভাবে দেখতে হবে, তার বা প্রতিষ্ঠানের অতীত বর্তমান কর্মকান্ড ইতিহাস।সুন্দর সুুন্দর কথা শুনে মাঠ পর্যায়ের সাংবাদিকেরা নিউজ করতে ছুটে গেলে চলবেনা। গবেষণা মূলক নিউজ করতে হবে।এখন আর আগের যুগ নেই,মনে রাখতে হবে হাঁসির আড়ালে অনেক ঘটনা প্রবাহ।সামন্য টাকার জন্য যেন বিবেক বিক্রয় না হয়। মনে পড়ে এক সময়ের জনপ্রিয় পএিকা দৈনিক খবর গ্রুপে যখন কাজ করতাম তখন নতুন সাংবাদিকতা, দৈনিক খবরের সন্পাদক মিজানুর রহমান মিজান স্যারের তেজগাঁও পএিকা অফিসে দেখা করতে গেলাম। সন্পাদকের পাশে বসে আছি, দেখি দুইজন লোক উচ্চ স্বরে কথা বলছে,তাদেরকে চেনার উপায় নেই।কেমন কেমন লেগছে,হঠাৎ স্যার তার আসন থেকে উঠে বলছে দেখ,সাংবাদিকের ধৈর্যর বাঁধ যখন ভেঙ্গে যায় তখন মৃত্যুকে ভয় করেনা কারোর ক্ষমতা ও রক্ত চক্ষুকে পরোয়া করেনা।সাংবাদিকেরা ধৈর্যশীল তাই পদে পদে চোট খায়,প্রতারণা নির্যাতনের স্বীকার হয়।মনে রাখবে সাংবাদিকেরা নতুন আলো দেখায় আবার অন্ধকারে নিক্ষেপ করে।পরনের কাপড় পরায় আবার লেংটা করে।স্যারের কথা গুলো শুনে দুইজনই নিচের দিকে মুখ লুকিয়ে অফিস থেকে বের হয়ে গেল।আমি স্যারের মুখের দিকে তাঁকিয়ে কথা গুলো শুনতেছি আর আমার নব সাংবাদিকতার প্রেরণা খুঁজে পেয়েছি।সেই কত বছর আগের কথা।আজ নিজ বাস্তবতার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে কেবলই সন্পাদক স্যারের কথা মনে পড়ছে।আমি ও একজন মানুষ সাংবাদিক।আমি নিজেও যেন কোথায় প্রতারনার জালে আবদ্ধ
হচ্ছি,হোক সাংবাদিকতা হোক ব্যক্তিগত জীবনে।দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলে স্যার কথায় মরলে মরবো তবে শক্ত হাতে কলম ধরছি ধরে রাখবো।সত্যটা প্রকাশ করবো জনসন্মুখে।দেখবো কলমের জোর আর ক্ষমতার জোর।
আজকাল দেখি পএ পএিকা ফেসবুকে সাংবাদিক নির্যাতন ও প্রতারনার করুণ নিদারুণ চিএ।গাছে বেঁধে সাংবাদিক নির্যাতন হয়।ছাগল চুরির প্রতারনার মামলা হয়।সাংবাদিকেরা শক্ত হাতে এর বিরুদ্ধে কলাম লেখেনা
রিপোর্ট করেনা।দলীয় লেজবৃক্তি সাংবাদিকতার বড় দু:সময়।দলীয় করণ থেকে বের হয়ে আসতে হবে কলাম লেখক সাংবাদিক কবি সাহিত্যিকেরা।সাদা নীল হলুদ সাংবাদিকতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। দল হবে ব্যক্তিগত সাংবাদিকতা হতে হবে আর্দশের হাতিয়ার।সাংবাদিকেরা জাতির বিবেক।সমাজ রাষ্ট্রের ভুল গুলো তুলে ধরতে হবে।রাষ্ট্র ক্ষমতাধরের ভুল গুলো জন সন্মুখে প্রকাশ করতে হবে।ঝড় তুফান ফেরিয়ে সন্মুখে এগিয়ে যেতে হবে।জেল জলুম আসুক তাতে কি?জাতি একদিন স্মরণ করবে। সত্যকে সত্য লেখতে হবে, মিথ্যকে মিথ্যা লেখতে হবে।সাংবাদিকতা মহান পেশা মনে রাখতে হবে।সাংবাদিকেরা ঐক্য বদ্ধ হতে হবে। সাংবাদিকেরা পএিকা টিভি চ্যানেলে কাজ করে বেতন পায়না,এতে আমি মনে করি সকল সাংবাদিকেরা মালিক পক্ষের তোষামোদ না করে ঐক্য বদ্ধ থাকলে এই সমস্যার সন্মুখীন কখনো হবেনা।চাকরীচ্যুত ও হবেনা। অবাক লাগে সাংবাদিকেরা দেশের কথা রাষ্ট্রের কথা সমাজের কথা নিজ মেধা শ্রম দিয়ে লেখে আর তারা বেতন পায়না।নিজের অধীকার আদায় করতে পারেনা।কি নিদারুণ লজ্জ্যা?এর জন্য বড় বড় সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতারা দায় এড়াতে পারবেনা।বড় সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতারা তাদের বেতন ঠিকমত নেয় ছোটরা জাতীয় ফেসক্লাবের সামনে
মানব বন্ধন করে।সাংবাদিক সংগঠন করে কি লাভ? যদি সাংবাদিকের অধীকার প্রতিষ্ঠা করতে না পারে। বাস্তবতার আলোকে এই লেখা।আমার এই কলাম হতাশার মাঝে ও আলো উজ্বল পথ দেখে।রাষ্ট্র ও সাংবাদিকদের ভালো মন্দ দেখতে হবে।সাংবাদিকের ন্যার্য অধীকার দিতে হবে।সাংবাদিকেরা যেন চিকিৎসার জন্য পএিকাতে সাহায্য চেয়ে লেখতে না হয়।অনেকদিন আগের কথা বাংলার বাণীর একজন কলাম লেখক দেখলাম পএিকাতে তার সাহাজ্যর জন্য অবেদন করতে।দু:খ হয় সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার জন্য।সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন সাংবাদিকদের জন্য।সাংবাদিকেরা রাষ্ট্রের সম্পদ মনে রাখতে হবে।

লেখক সাংবাদিক সাহিত্যিক
ইংরেজী দৈনিক এশিয়ান এজ্
সৌদিআরব ব্যুরোচীফ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button